Priyo24.Com

Place of somethings Knowing

ঢাবি_ক_ইউনিট_প্রস্তুতিঃ

#ঢাবি_ক_ইউনিট_প্রস্তুতিঃ

ইতোমধ্যেই ঢাবির বিভিন্ন ইউনিটের পরীক্ষার ডেট দিয়ে দিয়েছে। ক ইউনিটের পরীক্ষার জন্য সময় আছে ঠিক ২ মাস ৪ দিন। প্রস্তুতি গুছিয়ে আনার জন্য কি কি অবশ্যকরণীয় সেটা নিচের পোষ্ট হতে দেখে নাও।

১। “আমার জিপিএ খারাপ, আমি কি চান্স পাবো” টাইপের চিন্তা করে অগণিত সময় অপচয় বাদ দাও। এডমিশন টেস্টে যদি খুব ভালো করতে পারো, তাহলে বাজে জিপিএর তেমন কোন প্রভাব পড়বেই না।

২। যারা এখনো কচ্ছপের গতিতে এগোচ্ছ, তারা এখনি পুরো বই রিভাইস দেয়া শুরু করো। মনে রেখো ভর্তি পরীক্ষায় “তুমি কতোটুকু পড়েছো” এর চেয়ে ইম্পরট্যান্ট ব্যাপার হলো “তুমি কতোটুকু মনে রাখতে পেরেছো”

৩। সূত্র, প্রয়োজনীয় শর্টকাট, বিক্রিয়া, বৈজ্ঞানিক নাম প্রতিদিন “খাতায় লিখে” প্র‍্যাকটিস করো। মনে রেখো ১ বার লেখা ১০ বার পড়ার সমান ইফেক্টিভ

৪। চ্যাপ্টারওয়াইজ নয়, বরং সংশ্লিষ্ট ভার্সিটির সম্পূর্ন মানবন্টনের উপর পরীক্ষা দেয়া শুরু করো। এডমিশন টেস্টে MCQ এর বৃত্ত ভরাটে অধিক টাইম যাতে না লাগে সেজন্য বৃত্ত ভরাট করে এক্সাম দেয়ার প্র‍্যাকটিস করো

৫। “আমি পারি” ভেবে কোন সাবজেক্ট ই টানা ২-৩ দিন না পড়ে ফেলে রাখবা না। প্রয়োজনীয় সকল সাবজেক্ট প্রতিদিন অল্প করে হলেও পড়তে হবে।

৬। টেক্সটবুকের সকল ম্যাথ(ম্যাথ+ফিজিক্স+কেমিস্ট্রি) অবশ্যই সলভ করতেই হবে। এটুকু পরিশ্রম করতে না পারলে কোন ভালো ভার্সিটির ভালো সাবজেক্টে চান্স পাওয়া সিম্পলি ইম্পসিবল ব্যাপার।

বাজারে গাণিতিক রসায়ন, গাণিতিক পদার্থবিজ্ঞান বই পাওয়া যায়। এগুলো মোটামুটি সলভ করতে পারলেও ফিজিক্স, কেমিস্ট্রির গাণিতিক সমস্যার বস হয়ে যেতে পারবা। অবশ্য আমি আশা করি ইন্টার লেভেলেই এসব বই সলভ করে এসেছো তোমরা।

★★তবে এতোদিন ফাকি মেরে আসলে এখন নতুন বই কিনে প্রিপারেশন শুরু করবা না একদম। যা পড়েছো, যেটুকু পড়েছো সেটাই রিভাইস করো।

৭। ভার্চুয়াল লাইফে সময় দেয়া কমাও। আড্ডাবাজি, চ্যাটিং চান্স পাওয়ার পরেও করা যাবে। এখনো যদি নিজেকে কন্ট্রোল করতে না পারো, তাহলে ৩ মাস পর “অমুক সাবজেক্টের জন্য কোন প্রাইভেট ভার্সিটি ভালো/খরচ কম” টাইপের প্রশ্ন করে বেড়াতে হবে। তাই সতর্ক হও এক্ষুনি।

সর্বোপরি তোমার চান্স পাওয়া সম্পূর্নই “তোমার হাতে”। এখনো কোচিং/প্রাইভেটের কোর্স শেষ করার আশায় দিন গুনতে থাকলে ধরা খাওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। যতো বেশি পড়বা-জানবা, ততো পরীক্ষায় ভালো করার সম্ভাবনা বাড়বে।

ঢাবি ক ইউনিট সংক্রান্ত কোন প্রশ্ন থাকলে নিচের কমেন্ট বক্সে করতে পারো। পরবর্তীতে সকল প্রশ্নের উত্তর নিয়ে পোষ্ট দেয়া হবে।

কি কি প্রশ্ন অবশ্য বর্জনীয়ঃ
১। লাস্ট ইয়ার কতো নাম্বার পেয়ে কি সাবজেক্ট পেয়েছে
২। সর্বনিন্ম কতো পেলে চান্স পাওয়া যায়
৩। কতো পজিশনের ভেতর থাকলে কোন সাবজেক্ট পাওয়া যায়
৪। সর্বনিন্ম কতো জিপিএ নিয়ে গতবছর চান্স পেয়েছে

কোন ভার্সিটিই এসব তথ্য প্রোভাইড করে না। তাই এসব প্রশ্ন করে নিজে বিব্রত না হওয়ার অনুরোধ রইলো

#koushik

106 total views, 1 views today

Updated: August 8, 2017 — 7:25 pm

Leave a Reply

Priyo24.Com © 2018 Raihanul Haque